ভোলায় পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত শতাধিক

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) কে ফেসবুকে কুটুক্তি করাকে কেন্দ্র করে ভোলার বোরহানউদ্দিনে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় জনতার দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।

এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মাহফুজ এবং মিজানসহ ৩ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আরো অন্তত শতাধিক মানুষ আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। পুলিশ ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে।

রোববার (২০ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা সদরের বোরহানউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের বিপ্লব নামে এক যুবকের ফেসবুকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) কে কুটুক্তি করে পোস্ট দেয়। এর প্রতিবাদে স্থানীয় মুসুল্লিরা সমাবেশের আয়োজন করে। পুলিশ সমাবেশ না করতে অনুরোধ জানালেও উত্তেজিত জনতা পুলিশী বাধা উপেক্ষা করে বিক্ষোভ করে। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এতে প্রায় শতাধিক লোক আহত ও তিনজন নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

প্রসঙ্গত, পোস্ট দেয়ায় শনিবার ওই যুবকসহ আরো একজনকে আটকও করে পুলিশ।

এই বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে। এ ঘটনায় বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন মারা গেছে বলে শুনেছি।

রোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শাহীন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মাহফুজ ও মিজানের মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। আহতাবস্থায় বেশ কয়েকজন ভর্তি রয়েছে।

নিউজ গার্ডিয়ান/ এমএ/