মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আ.লীগে নতুন নেতৃত্ব

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আবু আহাম্মদ মোহাম্মদ মান্নাফিকে আর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে হুমায়ূন কবিরকে।

আর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বজলুর রহমানকে এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এস এম মান্নান কচি। বজলুর রহমান সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সহ-সভাপতি ও এস এম মান্নান কচি যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে এই কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আগামী তিন বছরের জন্য এই কমিটি দেয়া হয়েছে।

এর আগে দুই ইউনিটেরই বিদায়ী কমিটি বিলুপ্ত করেন ওবায়দুল কাদের। ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মাধ্যমে এই কমিটি গঠিত হয়েছিল।

দ্বিতীয় অধিবেশনের শুরুতে মহানগরের দুই ইউনিটের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য নাম প্রস্তাবের আহবান করেন ওবায়দুল কাদের।

সেখানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি পদে ৯ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য ৮ জনের নামের প্রস্তাব আসে। অপরদিকে ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি পদে ৫ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১০ জনের নাম প্রস্তাব করা হয়।

কিন্তু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক একক পদ হওয়ায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তাদের সমঝোতা করার জন্য ২০ মিনিট সময় বেধে দেন।

শীর্ষ পদে প্রস্তাবিত প্রার্থীরা সমঝোতায় ব্যর্থ হলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরামর্শক্রমে মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেন।

এর আগে শনিবার (৩০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলন শুরু হয়। ১১টায় মহানগর সম্মেলনের মঞ্চে এসে পৌঁছান আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা। ১১টা ৫ মিনিটে পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, এরপরে শান্তির ও পায়রা বেলুন উড়িয়ে সম্মেলনে উদ্বোধন করেন।

সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশাল সম্মেলন মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ ছাড়াও সম্মেলন স্থল ও আশপাশের সড়কগুলোকে বর্ণাঢ্য সাজে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগের ইতিহাস ঐতিহ্যের পাশাপাশি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়েছে।

সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটি, বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতিপ্রতিম সংগঠনের নেতাসহ মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর-দক্ষিণ, ৪৫টি থানা এবং ১০০টি ওয়ার্ড, ইউনিয়ন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ গার্ডিয়ান/ এমএ/